স্পেনের মধ্যাঞ্চলের তোলেদো প্রদেশে দুটি দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৭৯ জন। দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ থেকে সিউদাদ রিয়াল ও আন্দালুসিয়াগামী রেল চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে মাদ্রিদ-আন্দালুসিয়া উচ্চগতির রেললাইনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্পেনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম টিভিই জানিয়েছে, ট্রেন দুটি একই দিকে চলছিল। এ সময় একটি ট্রেন পেছন থেকে অন্য ট্রেনটিকে ধাক্কা দেয়। এতে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়।দুর্ঘটনাস্থল কাস্তিয়া-লা মাঞ্চা অঞ্চলের আঞ্চলিক সরকারের মুখপাত্র এস্তের পাদিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ১০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে।স্পেনের সংবাদমাধ্যম এল পাইসকে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এবারের দুর্ঘটনা গত জানুয়ারিতে আদামুজে ঘটে যাওয়া রেল দুর্ঘটনার চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। ওই দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এবারের দুর্ঘটনায় মাদ্রিদ থেকে সেভিলগামী রেনফে এভিই উচ্চগতির ট্রেন এবং বিপরীত দিক থেকে আসা ইরিওর একটি ট্রেন জড়িত ছিল।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, লাইনচ্যুত একটি ট্রেনের বগি উল্টে পড়ে আছে। সেখান থেকে ধোঁয়া উঠছে এবং আশপাশে ছড়িয়ে রয়েছে ধ্বংসাবশেষ। এভিই ট্রেনের শেষ দিকের একটি বগিতে থাকা এক যাত্রী ক্যাপিটাল রেডিওকে জানান, প্রচণ্ড সংঘর্ষের পর ট্রেনটির একটি অংশ আকাশে ছিটকে উঠেছিল।কাস্তিয়া-লা মাঞ্চার আঞ্চলিক সরকারের এক মুখপাত্র জানান, দুর্ঘটনার সময় ইরিও ট্রেনে একটি শিশুসহ ১৪৬ জন যাত্রী ছিলেন। অন্যদিকে, এভিই ট্রেনে ছিলেন প্রায় ৩৯৭ জন যাত্রী।এদিকে দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, তোলেদোতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনায় তিনি মর্মাহত। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি পরিবহনমন্ত্রী এবং কাস্তিয়া-লা মাঞ্চার আঞ্চলিক সরকারের প্রধানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।কাছের শহর উর্দার মেয়র ম্যানুয়েল গালান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য স্থানীয় একটি ক্রীড়া মিলনায়তন প্রস্তুত রাখতে নাগরিক সুরক্ষা কর্মকর্তারা প্রশাসনকে অনুরোধ করেছেন।প্রতিবেশী গ্রাম লস ইয়েবেনেসের মেয়র হেসুস পেরেস দুর্ঘটনাটিকে গুরুতর বলে বর্ণনা করেছেন। কাস্তিয়া-লা মাঞ্চার আঞ্চলিক সরকারের প্রধান এমিলিয়ানো গার্সিয়া-পাখেও দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে এক্সে জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটে। সে সময় একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ালে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে।তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও দ্য সান
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের তারকা হামজা চৌধুরীর উদ্যোগে গাজার শিশুদের জন্য ১ লাখ পাউন্ডের বেশি তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।এই অর্থ গাজার অসহায় শিশুদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হবে। বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কাজে ব্যয় করা হবে এই অর্থ।হামজা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ সফল করতে যারা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, অর্থ দিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন, তাদের সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন নুজুম স্পোর্টসকে। এই আয়োজন বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছে।সংগৃহীত অর্থ পাবে ‘চিলড্রেন নট নাম্বার্স’ নামের একটি সংস্থা। গাজায় শিশুদের জন্য জরুরি সহায়তা নিয়ে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। সংস্থাটির মাধ্যমে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।এই উদ্যোগে সফল হলেও হামজা মনে করেন, গাজার শিশুদের দুর্ভোগের তুলনায় এই সহায়তা খুবই সামান্য। আরও অনেক কিছু করার বাকি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, ছোট উদ্যোগও মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।পোস্টের শেষাংশে ফিলিস্তিনের মানুষের জন্য প্রার্থনা করেছেন হামজা। তাদের কষ্ট দূর করার পাশাপাশি শক্তি, ধৈর্য ও স্থায়ী শান্তি কামনা করেছেন বাংলাদেশের এই ফুটবলার।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে এবং এর কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে এ কথা জানান তিনি।সংবিধানের বিভিন্ন ধারা সংশোধন ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এই বৈঠকে। একইসঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিত করে তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ও মতামতও সরাসরি শোনা হয়।সভা শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বৈঠকের বিস্তারিত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ।তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেও কী প্রক্রিয়ায় এই সরকার গঠন করা হবে, এর ক্ষমতা ও কার্যপরিধি কী হবে এবং নির্বাচনকালীন এই সরকারের মেয়াদ কত দিনের হবে— সেসব বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কী প্রক্রিয়ায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হবে, এর সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা ও কার্যপরিধি কেমন হবে এবং সংসদ ভেঙে দেওয়ার কত দিনের মধ্যে এই সরকার গঠন করতে হবে— এসব বিষয় গভীরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে সার্চ বডি গঠন কিংবা নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে যাতে পরবর্তীতে কোনো রাজনৈতিক বিতর্কের সুযোগ না থাকে, সে বিষয়ে কার্যকর উপায় খুঁজে বের করতে আলোচনা চলছে।তিনি বলেন, সমস্ত প্রস্তাব ও পর্যালোচনা শেষে যখন জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করা হবে, তখন সংসদীয় বিতর্কের মাধ্যমে আরও নতুন পরামর্শ ও প্রস্তাব যুক্ত হতে পারে।সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবিত ‘জুলাই সনদ’-এর বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, সনদে উল্লেখিত বিভিন্ন প্রস্তাবের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বৈঠকে র্যাঙ্কড চয়েস ভোটের প্রস্তাব নিয়ে কথা হলেও এ বিষয়ে কমিটির পক্ষ থেকে নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত দেওয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যদের বক্তব্য ছিল, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি সার্বিকভাবে সংসদে আলোচনার মাধ্যমেই চূড়ান্ত হওয়া উচিত। এর বাইরেও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য যেকোনো নতুন ভালো প্রস্তাব আসলে তা সহানুভূতির সাথে পরীক্ষা করে দেখা হবে।সংবিধান সংশোধন নিয়ে সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের কাছ থেকে প্রচুর প্রস্তাব পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকদের কাছ থেকে পাওয়া গঠনমূলক প্রস্তাবগুলো একত্র করে কমিটির পরবর্তী বৈঠকগুলোতে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হবে। তবে সব প্রস্তাব পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় থাকায় এখনো কোনো শেষ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।বৈঠকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য হিসেবে সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম, হুমাম কাদের চৌধুরী, আনিছুর রহমান ও মোছা. তাহসিনা রুশদী উপস্থিত থেকে তাদের জীবনের ট্র্যাজিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা বিগত সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নির্যাতন, দীর্ঘদিনের আইনি সুরক্ষা না পাওয়া এবং ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার মর্মস্পর্শী বর্ণনা দেন। ভবিষ্যতে যাতে স্বাধীন বাংলাদেশে এ ধরনের মানবতাবিরোধী ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর কখনোই না ঘটে, সে জন্য সংবিধানে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ও শক্তিশালী পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।সংসদের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত এই যৌথ পর্যালোচনা বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের তারকা হামজা চৌধুরীর উদ্যোগে গাজার শিশুদের জন্য ১ লাখ পাউন্ডের বেশি তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।এই অর্থ গাজার অসহায় শিশুদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হবে। বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কাজে ব্যয় করা হবে এই অর্থ।হামজা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ সফল করতে যারা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, অর্থ দিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন, তাদের সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন নুজুম স্পোর্টসকে। এই আয়োজন বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করেছে।সংগৃহীত অর্থ পাবে ‘চিলড্রেন নট নাম্বার্স’ নামের একটি সংস্থা। গাজায় শিশুদের জন্য জরুরি সহায়তা নিয়ে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। সংস্থাটির মাধ্যমে গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।এই উদ্যোগে সফল হলেও হামজা মনে করেন, গাজার শিশুদের দুর্ভোগের তুলনায় এই সহায়তা খুবই সামান্য। আরও অনেক কিছু করার বাকি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, ছোট উদ্যোগও মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।পোস্টের শেষাংশে ফিলিস্তিনের মানুষের জন্য প্রার্থনা করেছেন হামজা। তাদের কষ্ট দূর করার পাশাপাশি শক্তি, ধৈর্য ও স্থায়ী শান্তি কামনা করেছেন বাংলাদেশের এই ফুটবলার।
বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের নতুন সিনেমা ‘মাতৃভূমি’র মুক্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সরকারি ছাড়পত্র মেলার খবর মিললেও এখনো সিবিএফসির পক্ষ থেকে প্রদর্শনীর তারিখ মেলেনি। ফলে আগামী ১৩ নভেম্বর সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে আনা যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের ভারত ও চীন সংঘঘাতের পটভূমিতে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। শুরুতে এর নাম ছিল ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’। চলতি বছরের শুরুতে তা বদলে রাখা হয় ‘মাতৃভূমি’। চীন সংক্রান্ত বিষয়বস্তু এবং সংলাপের কারণে সিনেমাটিকে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়। এর পেছনে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।সম্প্রতি সিনেমাটি সরকারি ছাড়পত্র পাওয়ার খবর সামনে আসে। কিন্তু প্রায় এক মাস হতে চললেও সেন্সর সনদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রদর্শনীর তারিখ পাননি নির্মাতারা।বলিউড হাঙ্গামার একটি বাণিজ্যিক সূত্র জানায়, অক্টোবরের শুরুতে সেন্সর সনদের আবেদন করেন নির্মাতারা। গত ২৬ অক্টোবর সোমবার সিনেমাটি প্রদর্শনের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। সেন্সর প্রক্রিয়া দ্রুত করতে সালমান নিজে কয়েকবার দিল্লি গিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।সূত্রটির ভাষ্য, কোনো বিশেষ সুবিধা চাননি সালমান। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি সনদের সব নিয়ম পালন করেছেন তিনি। আগামী মাসেই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে আনতে চান বলেই সেন্সর কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিচ্ছেন।১৩ নভেম্বর মুক্তির বিষয়ে সালমানের আগের পরিকল্পনা এখনো অপরিবর্তিত আছে কি না, জানতে চাওয়া হলে সূত্রটি জানিয়েছে, সময়মতো সেন্সর সনদ পেলে ওই দিনই সিনেমাটি মুক্তি পাবে।এই তারিখ বেছে নেওয়ার কারণও পরিষ্কার করেছে সূত্রটি। একই সময়ে বড় সিনেমা মুক্তি পেলে একে অন্যের ব্যবসায় প্রভাব ফেলতে পারে, যা চান না সালমান। ওই নির্দিষ্ট দিনে অন্য কোনো সিনেমা মুক্তির পরিকল্পনা নেই। তাই দিনটিকে উপযুক্ত মনে করছেন তিনি।এদিকে ২৭ নভেম্বর রাজশ্রী প্রোডাকশনসের ‘ইয়ে প্রেম মল লিয়া’ এবং ইমরান হাশমি অভিনীত ‘গানমাস্টার জি৯’ মুক্তির কথা রয়েছে। এই দুই ছবির দুই সপ্তাহ আগে নিজের ছবি এনে বক্স অফিসে তিনটির জন্যই ভালো ব্যবসার সুযোগ রাখতে চান সালমান। এই কারণে ২০ নভেম্বর মুক্তির সম্ভাবনা বাতিল করা হয়েছে।‘ইয়ে প্রেম মল লিয়া’ পরিচালনা করছেন সুরজ বরজাতিয়া। পরিচালকের সঙ্গে সালমানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় ওই ছবির সঙ্গে নিজের ছবি মুক্তি দিতে নারাজ অভিনেতা।এছাড়া ৪ ডিসেম্বর মুক্তির তারিখও ভাবা হয়েছিল। কিন্তু ‘মাতৃভূমি’র পরিবেশক জিও স্টুডিওস একই দিনে শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত ‘ঈথা’ মুক্তির পরিকল্পনা করছে। একই দিনে দুটি ছবি মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হলে সালমানও তা মেনে নেন।সব মিলিয়ে ১৩ নভেম্বরকেই সবচেয়ে উপযুক্ত দিন হিসেবে দেখছেন নির্মাতারা। তবে শেষ পর্যন্ত ওই দিনে সিনেমাটি মুক্তি পাবে কি না, তা পুরোপুরি নির্ভর করছে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র হাতে পাওয়ার ওপর।সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম সর্বোচ্চ বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।বুধবার (২৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সোনার নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এ দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা।এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা।সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৬৭৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩৯১ টাকা।
২২ ঘন্টা আগে
বিপদ-আপদ কখন আসবে, তা কেউ জানে না। কখনও কোনো ক্ষতির আশংকা দেখা দিলে কিংবা অপ্রত্যাশিত বিপদের ভয় হলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া মুমিনের শিক্ষা। রাসুলুল্লাহ (স.) বিপদের আশংকায় বিশেষ দোয়া পড়তেন। এ ছাড়া সকাল-সন্ধ্যায় সুরক্ষার জন্যও দোয়া পড়ার শিক্ষা দিয়েছেন।১. কারও অনিষ্টের আশংকা হলে পড়বেন اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফি নুহুরিহিম, ওয়া নাঊযু বিকা মিন শুরুরিহিম।অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা তাদের মোকাবিলায় তোমাকেই সামনে রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, কোনো সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ক্ষতির আশংকা করলে রাসুলুল্লাহ (স.) এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ: ১৫৩৭)২. সকাল-সন্ধ্যায় সুরক্ষার দোয়াبِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُউচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস সামায়ি, ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামের সঙ্গে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।হজরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকালে ও সন্ধায় যে বান্দা তিনবার এ দোয়া পাঠ করবে কিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না। (জামে তিরমিজি: ৩৩৮৮)৩. আল্লাহর ওপর ভরসা প্রকাশের দোয়াحَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُউচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল।অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।সুরা আলে ইমরানের ১৭৩ নম্বর আয়াতে এই বাক্য উল্লেখ রয়েছে। সহিহ বুখারির বর্ণনা অনুযায়ী, হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপের সময় তিনি এই বাক্য বলেছিলেন। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সময়েও শত্রুর বড় বাহিনীর হুমকির মুখে সাহাবিরা তা বলেছিলেন। (সহিহ বুখারি: ৪৫৬৩)দোয়ার পাশাপাশি সতর্কতাও জরুরিবিপদের আশংকা হলে আল্লাহর কাছে দোয়া করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারও কাছ থেকে ক্ষতির আশংকা থাকলে নিরাপদ স্থানে যাওয়া, বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে জানানো এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়া জরুরি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে যথাসাধ্য নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।তথ্যসূত্র: সুরা আলে ইমরান: ১৭৩; সহিহ বুখারি: ৪৫৬৩; সুনানে আবু দাউদ: ১৫৩৭, ৫০৮৮; জামে আত-তিরমিজি: ৩৩৮৮
মাংসের পিঠা একটি সুস্বাদু এবং মজাদার বাঙালি খাবার যা বিশেষ করে উৎসবের সময় তৈরি করা হয়। এটি মাংসের কিমা এবং মশলার সমন্বয়ে তৈরি একটি মুখরোচক খাবার।মাংসের পিঠা একটি ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার যা মাংসের কিমা এবং মশলা দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি সাধারণত উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয়।উপকরণমাংসের কিমা - ১ কাপপেঁয়াজকুচি - ১ কাপধনেপাতা কুচি - ১ টেবিল চামচগরম মসলা গুঁড়া - ১ চা চামচআদা বাটা - ১ চা চামচরসুন বাটা - আধা চা চামচআতপ চালের গুঁড়া - ৩০০ গ্রামলবণ - স্বাদমতোতেল - ভাজার জন্যপ্রস্তুত প্রণালিএকটি সসপ্যানে লবণ ও পানি জ্বাল দিয়ে বলক উঠলে তাতে চালের গুঁড়া দিন।মৃদু আঁচে ঢাকনা দিয়ে তিন-চার মিনিট দমে রেখে ভালোভাবে নেড়ে চুলা থেকে নামিয়ে কিছুটা গরম অবস্থায় মাখিয়ে নিন।ছোট ছোট লেচি কেটে রুটি আকারে বেলে নিন।একটি ফ্রাইপ্যানে ৪ টেবিল চামচ তেল গরম করে তাতে কিমা, পেঁয়াজ, আদা বাটা, রসুন বাটা, গরম মসলা, ধনেপাতা ও লবণ দিয়ে পুর তৈরি করুন।পুর ঠান্ডা হলে রুটির টুকরোর ভিতর পুর দিয়ে পছন্দমতো আকার গড়ে নিন।ডুবোতেলে ভেজে সস দিয়ে পরিবেশন করুন।পরিবেশনমাংসের পিঠা গরম গরম পরিবেশন করুন। সাথে সস বা চাটনি পরিবেশন করতে পারেন।রান্নার টিপসপুর তৈরি করার সময় মশলার পরিমাণ আপনার স্বাদ অনুযায়ী সামঞ্জস্য করুন। পিঠা ভাজার সময় তেলের তাপমাত্রা মাঝারি রাখুন যাতে পিঠা ভালোভাবে ভাজা হয়।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রায় ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটির বৈশ্বিক কর্মীবাহিনীর বড় একটি অংশ এই প্রস্তাবের আওতায় আসতে পারে। গত সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।মাইক্রোসফটের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য পরিচালন ব্যয় কমানো এবং এআই প্রযুক্তি ও অবকাঠামোয় বিপুল বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা। বর্তমানে বিশ্বের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এআই উন্নয়নে ডাটা সেন্টার, উন্নত চিপ ও কম্পিউটিং সক্ষমতা বাড়াতে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে।বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, মাইক্রোসফটের বিভিন্ন বিভাগের কর্মীরা স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার এই প্রস্তাব পেতে পারেন। তাদের মধ্যে এআই এক্সপেরিয়েন্সেস, কোপাইলট, অর্থ, মানবসম্পদ, এক্সবক্স এবং উইন্ডোজ প্লাস ডিভাইসেস বিভাগের কর্মীরাও রয়েছেন। তবে বিপণন, বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও নিরাপত্তা বিভাগের কর্মীরা এই কর্মসূচির আওতায় থাকবেন না।মাইক্রোসফটের চিফ পিপল অফিসার অ্যামি কোলম্যান কর্মীদের পাঠানো এক বার্তায় বলেন, যারা প্রতিষ্ঠানটির বাইরে নতুন কিছু করার কথা ভাবছেন, তাদের কর্মজীবনের পরবর্তী ধাপে যেতে এই প্রস্তাব সহায়তা করবে। একই সঙ্গে পরিবর্তিত ব্যবসায়িক চাহিদার সঙ্গে কর্মীসংখ্যা সমন্বয়ের সুযোগ পাবে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বিভাগ।মাইক্রোসফটের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণকালীন কর্মীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ২৩ হাজার। সেই হিসাবে ৬০ হাজার কর্মীকে এই প্রস্তাব দেওয়া হলে তা কর্মীবাহিনীর একটি বড় অংশকে প্রভাবিত করতে পারে।এদিকে, এআই খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মাইক্রোসফট চলতি বছরের জন্য মূলধনি ব্যয় বাবদ ১৭৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পূর্বাভাস দিয়েছে। বিপুল এই বিনিয়োগের বিপরীতে পর্যাপ্ত আর্থিক মুনাফা আসবে কি না, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।চলতি বছরেও কর্মীসংখ্যা পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত প্রায় ৯ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। জুলাইয়ে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণাও দেয় মাইক্রোসফট। এর অংশ হিসেবে এক্সবক্স গেমিং ব্যবসা পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।আজ বুধবার বাজার লেনদেন শেষ হওয়ার পর চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করার কথা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এর আগে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের নজরে এসেছে