দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে হাসাপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৮৫১ জন।সোমবার (১৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটির দুইজন, ঢাকা উত্তর সিটির একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের একজন রয়েছেন।আক্রান্ত বেশি ঢাকা বিভাগে। ৩৬৩ জন ভর্তি হয়েছে এই বিভাগের। খুলনায় ২৫৩, রাজশাহী ২৩৩, ঢাকা দক্ষিণ সিটি ২৩১, চট্টগ্রামে ২২০, বরিশালে ১৯২, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৪৮, রংপুর ৯৩ ও ময়মনসিংহ ৯২ জন।জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৩৫২ জন মারা গেছেন। এই সময়ে মোট আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ ১৪ হাজার ২৫১ জন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ২টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। এসময় ইশরাক হোসেন বলেন, দল যেন বিব্রত না হয় সেজন্য প্রতীমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ইশরাক হোসেন এ তথ্য জানান।পোস্টে তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ইশরাক। তিনি জানান, সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে মাদক নির্মূলে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে চান।এ ছাড়া পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি জোরদার করা এবং দেশব্যাপী প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে বিভিন্ন জেলা সফরের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ঢাকা-৬ আসনের আওতাধীন গেন্ডারিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাক হোসেনের অস্ত্র হাতে থাকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তার পদত্যাগের বিষয়টি সামনে আসে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ২টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। এসময় ইশরাক হোসেন বলেন, দল যেন বিব্রত না হয় সেজন্য প্রতীমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ইশরাক হোসেন এ তথ্য জানান।পোস্টে তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ইশরাক। তিনি জানান, সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে মাদক নির্মূলে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে চান।এ ছাড়া পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি জোরদার করা এবং দেশব্যাপী প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে বিভিন্ন জেলা সফরের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ঢাকা-৬ আসনের আওতাধীন গেন্ডারিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাক হোসেনের অস্ত্র হাতে থাকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তার পদত্যাগের বিষয়টি সামনে আসে।
আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ম্যাচ টাই করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সোমবার ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সিরিজের দ্বিতীয় যুব ওয়ানডেতে দুই দলই ৩০৪ রান করে। আফগানিস্তানের ৩০৪ রানের জবাবে ৪৯ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩০৪ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আফগান-বাংলাদেশ যুবাদের মধ্যকার ওয়ানডে ম্যাচে এটাই সর্বোচ্চ (৬০৮) মোট রানের রেকর্ড।টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩০৪ রান সংগ্রহ করে তারা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন নোমান সালারজাই। ৯০ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি। এ ছাড়া ফারিদুল্লাহ ইহসাসের ৫১ এবং তাহির সারওয়ারির ৪৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে বড় সংগ্রহ পায় আফগান যুবারা।ইনিংসের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে আফগানিস্তান। আবিদুল্লাহ নাদারজান ও ফারিদুল্লাহ ইহসাসের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৫৬ রান। ২৭ বলে ২৩ রান করে আবিদুল্লাহ ফিরলে ভাঙে জুটি। এরপর ফারিদুল্লাহর সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন সুবহান জাখাইল। ৩৮ বলে ২৭ রান করে সুবহান আউট হওয়ার আগে দলের সংগ্রহ পৌঁছে যায় ১২৯ রানে।ফারিদুল্লাহর ব্যাট থেকে আসে ৪৭ বলে ৫১ রান। তার ইনিংসে ছিল নয়টি চার। এরপর নোমান সালারজাই ও হামজা খানের জুটি আফগানিস্তানকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। হামজা ৪৪ বলে ২৯ রান করে ফিরলেও নোমান এক প্রান্ত আগলে রাখেন। পরে তাহির সারওয়ারির ৩১ বলে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস আফগানিস্তানকে তিনশ রানের কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। তাহিরের ইনিংসে ছিল একটি চার ও তিনটি ছক্কা।শেষ দিকে আমির হামজার ১১ বলে ২১ রানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তার ব্যাট থেকে আসে একটি চার ও দুটি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত ৩০৪ রান তুলে ইনিংস শেষ করে আফগানিস্তান।বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন রুবাই ইসলাম রিজন। ৯ ওভারে ৭২ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন তিনি। এসকে জারিফ সিয়াম ১০ ওভারে মাত্র ৩৪ রান খরচায় দুটি উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া আল আমিন হোসেন ও শাকিল খান একটি করে উইকেট পান।৩০৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই পাল্টা আক্রমণ করে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে এসকে জারিফ সিয়াম ও আবদুল্লাহ আল মুহি যোগ করেন ৭০ রান। ২৮ বলে ২২ রান করে জারিফ ফিরলে ভাঙে জুটি। এরপর আবদুল্লাহর সঙ্গে যোগ দেন আলামিন হোসেন রনি। আবদুল্লাহ ৪৫ বলে ৫০ রান করে আউট হওয়ার আগে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০১ রানে।তৃতীয় উইকেটে রনি ও আহসান আল মুমিনের ব্যাটে আরও এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৫৬ বলে ৭১ রান করেন রনি। তার ইনিংসে ছিল আটটি চার ও দুটি ছক্কা। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে জয়ের পথে রাখেন তিনি। তবে ২৭.৩ ওভারে রনি আউট হলে ভাঙে ৭৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।এরপর আহসান আল মুমিনের সঙ্গে জুটি গড়েন রাকিবুল হোসেন। ৩০ বলে ২৫ রান করে রাকিবুল ফিরলেও আহসান দলের রান বাড়িয়ে নিতে থাকেন। ৬৬ বলে পাঁচটি চারের সাহায্যে ৫৬ রান করেন তিনি। তার বিদায়ের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৩৯ রান। জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজনীয় রান তোলার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে।কিন্তু শেষ দিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক ফরিদ হাসান ২৯ বলে ১২ রান করে ফেরেন। রকিবুলের পর ফারিদ, রকিবুলের পরে রবিউল হাসান ১৩ বলে ১৫ রান করে আউট হন। শাকিল খানও ৮ বলে ৪ রান করে ফিরলে বাংলাদেশের জয়ের সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে যায়।তবে শেষ দিকে রুবাই ইসলাম রিজনের ব্যাটে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে। মাত্র ১৯ বলে ৩৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও দুটি ছক্কা। অন্য প্রান্তে শেখ আতিউর রহমান ৬ বলে অপরাজিত ৩ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৪৯ ওভারে ৩০৪ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আফগানিস্তানের সমান রান করায় ম্যাচটি টাই হয়।আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে নূর আলী নিয়াজাই তিনটি উইকেট নেন। সোহেল খান ও লুৎফুল্লাহ মোহাম্মাদি দুটি করে উইকেট শিকার করেন। আমির হামজা পান একটি উইকেট।
ভারতের মুম্বাইয়ে বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে মোটরসাইকেলে আসা তিন ব্যক্তি। এ ঘটনায় অভিনেতা অক্ষত থাকলেও তার গাড়িচালক আহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যায় জুহু এলাকায় একটি ফুটবল মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে অনিল পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তি নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য দাবি করে ঘটনার দায় স্বীকার করেন। তিনি বলেন, তাদের নির্দেশ না মানা এবং সালমান খানের সঙ্গে কাজ করার কারণে টাইগার শ্রফ তাদের নিশানায় ছিলেন। তবে ভিডিওতে দেওয়া দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।ভিডিওতে ওই ব্যক্তি আরও হুমকি দেন, বলিউডে যারা তাদের সঙ্গে সমন্বয় না করে কাজ করবেন বা সালমান খানের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, তাদের হত্যা করা হবে। সালমান খান লরেন্স বিষ্ণোই ও বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা না চাইলে তার পরিবারের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়।গুজরাটের কারাগারে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এর আগেও সালমান খানকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। ১৯৯৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনায় সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের ক্ষোভের কথা বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে।২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সাবেক মহারাষ্ট্র মন্ত্রী ও এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিককে গুলি করে হত্যা করা হয়। সালমান খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ও বিষ্ণোই গ্যাং স্বীকার করেছিল।সূত্র: এনডিটিভি
তিন ব্যাংক সোনালী, জনতা ও রূপালীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করেছে সরকার।তারা হলেন- সোনালী ব্যাংকের মো. শওকত আলী খান, জনতা ব্যাংকের মো. মজিবর রহমান এবং রূপালী ব্যাংকের কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।সোমবার (১৯ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ক্ষেত্রে সরকারের সম্মতির বিষয়টি জানানো হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে চুক্তির শর্ত ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।মো. শওকত আলী খান ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর সোনালী ব্যাংকের এমডি হিসেবে যোগ দেন। তিন বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।অন্যদিকে, কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম তিন বছরের চুক্তিতে রূপালী ব্যাংকের এমডি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। মো. মজিবর রহমান জনতা ব্যাংকের এমডি ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।তিন ব্যাংকের এমডিদের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের পর এখন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।
৮ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে এ মাস গণনা শুরু হবে। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) এ এইচ এম কামরুজ্জামান।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেমের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভীসহ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বন্ধুত্ব মানেই নতুন মানুষ, নতুন অভিজ্ঞতা আর জীবনের নতুন এক অধ্যায়। সময়ের স্রোতে অনেক বন্ধু হারিয়ে যান, আবার জীবনের পথে যুক্ত হন নতুন মুখ। তবে নতুন বন্ধুত্বের আনন্দের পাশাপাশি পুরোনো সম্পর্ক আগলে রাখার গুরুত্বও কম নয়।আজ ১৯ অক্টোবর, নতুন বন্ধু দিবস। নতুন বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং পুরোনো বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট রাখার বার্তা নিয়েই দিনটি পালনের সুযোগ এসেছে।বন্ধুত্ব মানবজীবনের ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। কত কত বন্ধু হারিয়ে যান, বন্ধুত্বের তালিকায় ক্রমাগত যুক্ত হয় নতুন মুখ। তবে কেউ কেউ পুরোনো বন্ধুত্ব বাঁচিয়ে রাখতে পারেন। পাড়ার গলি, স্কুলের মাঠ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পেরিয়ে বন্ধুরা হয়তো ছড়িয়ে–ছিটিয়ে যান দূরদূরান্তে। জীবনের পথে তৈরি হয় নতুন নতুন বন্ধুত্ব। তবু তাই বলে পুরোনো বন্ধুত্বে ভাটা পড়ে না কখনো।একটি ইংরেজি গান আছে, যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, ‘নতুন বন্ধু তৈরি করুন, কিন্তু পুরোনোকেও বাঁচিয়ে রাখুন। একটি হলো রুপা, অন্যটি সোনা।’ সন্দেহ নেই, নতুন বন্ধুত্ব মানুষের জীবনের এক অনন্য প্রাপ্তি। প্রত্যেক নতুন বন্ধুই যেন একেকটি নতুন পৃথিবী। বহমান জীবনে একজন নতুন বন্ধু যুক্ত হওয়া মানে আনন্দ-বেদনার এক নতুন দিগন্ত খুলে যাওয়া।যদিও নতুন বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে কিছুটা ভয়ও রয়েছে। ভুল বন্ধুত্ব কারও গোটা জীবনের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ কারণে অনেকেই নতুন বন্ধু তৈরিতে স্বচ্ছন্দ নন। একসঙ্গে অনেক দিন চলাফেরা এবং বহুমুখী যাচাই–বাছাইয়ের পরই তাঁরা নতুন মানুষকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেন।আজ ১৯ অক্টোবর, নতুন বন্ধু দিবস। হলিডে ক্যালেন্ডারের তথ্যানুযায়ী, ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে দিনটির আনুষ্ঠানিক চল শুরু হয়। প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয় ২০০৭ সালে। পরে ২০১২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে দিনটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।দিবসটি উদ্যাপনের জন্য নতুন বন্ধুর সঙ্গে সময় কাটানো যেতে পারে। আজকের দিনে কাউকে নতুন বন্ধু হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া যায়। নতুন সম্পর্কের সূচনা যেমন আনন্দের, তেমনি সেই সম্পর্ককে আন্তরিকতা ও বিশ্বাসের মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।অবশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান পৃথিবীতে নতুন বন্ধু তৈরির সুযোগ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি। প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তৈরি হচ্ছে নতুন বন্ধুত্ব। তাই নতুন বন্ধু দিবস হতে পারে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়া এবং একই সঙ্গে পুরোনো বন্ধুদেরও ভালোবাসা ও যত্নে আগলে রাখার একটি উপলক্ষ।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে প্রতারণার নতুন নতুন কৌশল তৈরি করছে অপরাধীরা। ভুয়া অনলাইন দোকানের ওয়েবসাইট, পরিচিত মানুষের নকল কণ্ঠস্বর এবং বাস্তবের মতো দেখতে ভিডিও তৈরি করে মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে নতুন করে নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ট্রেডিং স্ট্যান্ডার্ডস।বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই ব্যবহার করে অল্প সময়ে পেশাদার চেহারার ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। এসব সাইটে কখনো যুক্তরাজ্যের পারিবারিক ব্যবসার পরিচয় দিয়ে দেশটিতে তৈরি উন্নত মানের পণ্য বিক্রির দাবি করা হয়। ওয়েবসাইটে যুক্তরাজ্যের রাস্তা কিংবা দেশটির পতাকাসহ ছবিও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ক্রেতারা পণ্য অর্ডার করার পর তা আর পান না। কখনো আবার নিম্নমানের গণহারে উৎপাদিত পণ্য পাঠানো হয়।ন্যাশনাল ট্রেডিং স্ট্যান্ডার্ডস প্রথমবারের মতো এআই ব্যবহার করে করা প্রতারণার কৌশলগুলো নিয়ে একটি সতর্কতামূলক তালিকা প্রকাশ করেছে।এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া ছবি ছাড়াও প্রতারণায় ব্যবহার করা হচ্ছে কণ্ঠস্বর নকল করার প্রযুক্তি এবং ডিপফেক ভিডিও। ডিপফেক হলো এআই দিয়ে তৈরি বা পরিবর্তিত এমন ভিডিও, যেখানে কাউকে এমন কিছু বলতে বা করতে দেখা যায়, যা বাস্তবে ঘটেনি।প্রতারণার আরেকটি কৌশল হলো অনলাইনে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। এ ক্ষেত্রে এআই ব্যবহার করে ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত তথ্য মনে রাখা এবং কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে কথোপকথন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়া পরিচিত আত্মীয় বা বন্ধুর কণ্ঠস্বর নকল করে জরুরি প্রয়োজনে অর্থ চাওয়ার ঘটনাও ঘটছে।এআই ব্যবহার করে বিপুলসংখ্যক ব্যক্তির জন্য আলাদা করে তৈরি করা যায় প্রতারণামূলক ই-মেইল, খুদে বার্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট। এসব বার্তায় বানান বা ব্যাকরণগত ভুল না থাকায় প্রতারণা শনাক্ত করাও কঠিন হচ্ছে। ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সংগঠন ‘হুইচ’ বলছে, শুধু বানান বা ব্যাকরণগত ভুল খুঁজে এখন প্রতারণামূলক বার্তা চেনা যায় না।প্রতারণা থেকে বাঁচবেন যেভাবেন্যাশনাল ট্রেডিং স্ট্যান্ডার্ডসের পরামর্শ, সরাসরি দেখা হয়নি— এমন কাউকে টাকা, উপহারের কার্ড কিংবা ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য দেওয়া উচিত নয়। অনলাইন দোকানের ঠিকানা বাস্তব কি না তা যাচাই করতে হবে। চাকরির বিজ্ঞাপন সত্যি কি না তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া ভালো। শুধু পরিচিত কণ্ঠস্বর শোনা বা ভিডিও কলে কাউকে দেখেই তার পরিচয় নিশ্চিত ধরে নেওয়া ঠিক নয়। কেউ দ্রুত টাকা পাঠাতে বা জরুরি সিদ্ধান্ত নিতে চাপ দিলে সতর্ক হতে হবে। কারণ প্রতারকেরা সাধারণত ভুক্তভোগীকে চিন্তা করার সময় না দিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে চায়।কোনো অর্থ পরিশোধ, ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার বা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার আগে থামুন, যাচাই করুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন - এটাই বিশেষজ্ঞদের মূল পরামর্শ।