২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এসএমএসের মাধ্যমে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ছিলেন ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ছিলেন ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। অর্থাৎ, এবার ছাত্রদের তুলনায় ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেন। সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত ২ জুলাই সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্টের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে স্থগিত পরীক্ষাগুলো গ্রহণ করা হয়। সব বোর্ডে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ এর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন।শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে। অংশ নেয় ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এ জন্য ওয়েবসাইটের ‘Result’ বিভাগে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিয়ে ফল ডাউনলোড করতে হবে।অন্যদিকে পরীক্ষার্থীরা eduboardresults.gov.bd, educationboardresults.gov.bd অথবা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফল জানতে পারবেন।এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ‘HSC DHA 123456 2026’ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। এখানে DHA-এর জায়গায় নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর এবং 123456-এর জায়গায় পরীক্ষার রোল নম্বর বসাতে হবে।উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। এসংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে। অংশ নেয় ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গত ২ জুলাই পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) এই ফল প্রকাশ করা হয়। চলতি বছর এসএসসি সমমানের শিক্ষার্থীদের গড় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ।শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।ফলাফলে দেখা গেছে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী।শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এ বছর ১১টি বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। এবার ছাত্রদের চেয়ে ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাটে-বলে একাধিক রেকর্ডের সাক্ষী হয়েছে ক্রিকেট বিশ্ব। ভারতের বাঁহাতি পেসার আর্শদীপ সিং একটি উইকেট শিকার করেই গড়েছেন দুটি ব্যক্তিগত রেকর্ড। অন্যদিকে, ব্যাট হাতে রেকর্ডের খাতায় নাম লিখিয়েছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডও।শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) অকল্যান্ডে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন ২৭ বছর বয়সী আর্শদীপ। নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের শেষ ওভারে মিচেল স্যান্টনারকে ফিরিয়ে প্রথম রেকর্ডটি গড়েন তিনি। ওই উইকেটের সুবাদে ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টিতে তার শিকার দাঁড়ায় ৪০টি, যা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর বোলারদের মধ্যে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ।এর আগে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের জশ লিটলের ২০২২ সালে নেওয়া ৩৯ উইকেটের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছিলেন আর্শদীপ। চতুর্থ ম্যাচে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে এক বছরে ৪০ উইকেট নেওয়া প্রথম পূর্ণ সদস্য দেশের বোলার হন তিনি।পূর্ণ সদস্য দেশের বোলারদের এক বছরে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি উইকেট:৪০ — আর্শদীপ সিং (২০২৬)৩৯ — জশ লিটল (২০২২)৩৮ — ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (২০২৪)৩৭ — ভুবনেশ্বর কুমার (২০২২)একই ম্যাচে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৫০ উইকেটের মাইলফলকও স্পর্শ করেন আর্শদীপ। এই কীর্তি গড়া প্রথম ভারতীয় বোলার তিনি। অভিষেকের পর মাত্র ১ হাজার ৫৭৭ দিনের মধ্যেই এই মাইলফলকে পৌঁছে দ্রুততম হওয়ার রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন। এর আগে শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২ হাজার ৩২৫ দিনে ১৫০ উইকেট পূর্ণ করেছিলেন।টি-টোয়েন্টিতে ১৫০ উইকেট নিতে সবচেয়ে কম বল:২,০৩৫ — ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা২,০৯৮ — রশিদ খান২,১৪৩ — আর্শদীপ সিং২,৩২০ — এহসান খানএদিকে, অকল্যান্ডে ব্যাটিংয়েও নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫৯ রান তোলে স্বাগতিকরা। ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটিই কোনো দলের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। এর আগে ২০২৬ সালে সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ডের করা ৩ উইকেটে ২৫৭ রান ছিল এই তালিকার শীর্ষে।টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ:২৫৯/৭ — নিউজিল্যান্ড, অকল্যান্ড (২০২৬)২৫৭/৩ — ইংল্যান্ড, সাউদাম্পটন (২০২৬)২৫২/৪ — ওয়েস্ট ইন্ডিজ, রাঁচি (২০২৬)২৪৭/৩ — ওয়েস্ট ইন্ডিজ, হায়দরাবাদ (২০২৬)২৪৬/৭ — ইংল্যান্ড, ওয়াংখেড়ে (২০২৬)২৪৫/৬ — ওয়েস্ট ইন্ডিজ, লডারহিল (২০১৬)নিউজিল্যান্ডের বড় সংগ্রহের মূল কারিগর ছিলেন গ্লেন ফিলিপস। মাত্র ৪৯ বলে ১০৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি, যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। ফিলিপসের সঙ্গে ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালান মাইকেল ব্রেসওয়েলও। মাত্র ২৫ বলে ৬৫ রান করেন এই অলরাউন্ডার।ফিলিপস ও ব্রেসওয়েলের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ড। এর আগে ২০২২ সালে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৫৪ রান ছিল কিউইদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
ব্রেন টিউমার ও দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে অভিনয়ে ফিরেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ ৯ মাস শুটিংয়ের বাইরে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি ইকসান রনির পরিচালনায় অংশীদার নামের একটি নাটকের শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তিনি আবার ক্যামেরার সামনে ফেরেন। নাটকটির শুটিং এরই মধ্যে শেষ হয়েছে।নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন ইকসান রনি। এর সংলাপ লিখেছেন ফারুক আহমেদ রানা ও নন্দী জুয়েল। সমাজে নারীর ন্যায্য অধিকার, আত্মমর্যাদা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই নাটকে। বিশেষ করে বাবার মৃত্যুর পর পৈতৃক সম্পত্তিতে মেয়েদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এতে তুলে ধরা হয়েছে। তানিয়ার সঙ্গে এই নাটকে আরও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, ডলি জহুর, নন্দী জুয়েল, আর সি অরণ্য, আশরাফুল আশীষ ও পংকজ মজুমদার।চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তানিয়া বৃষ্টি। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। প্রথমে ঢাকায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা হলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে যেতে হয়। সেখানে তার আরও একটি অস্ত্রোপচার হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা, কঠোর বিশ্রাম এবং কেমোথেরাপির মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাকে। গত ৩ অক্টোবর নিজের ফেসবুক লাইভে এসে তিনি শারীরিক অবস্থার উন্নতির কথা জানান।নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, খুব শিগগিরই কেএসআই এন্টারটেইনমেন্ট ইউটিউব চ্যানেল ও একটি টেলিভিশন চ্যানেলে নাটকটি প্রচার করা হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়ে গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেলের বাজারে।বাজারের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৭ দশমিক ৬৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনের একপর্যায়ে এর দাম ১১৮ ডলারেও পৌঁছায়।অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম প্রায় ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৪ দশমিক ১২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।গত অক্টোবর মাসজুড়েও তেলের বাজারে বড় ধরনের উত্থান দেখা গেছে। মাস শেষে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়েছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। একই সময়ে ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছে ১৫ দশমিক ২ শতাংশ।এদিকে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারকে ঘিরে একের পর এক ঘটনার কারণে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এক দিনেই সুপারট্যাংকার ঘিরে চারটি ঘটনা ঘটেছে।আইআরজিসির দাবি, এর মধ্যে দুটি ট্যাংকার ইরানি কর্তৃপক্ষের নিষিদ্ধ ঘোষিত পথে চলাচলের সময় মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
৫ ঘন্টা আগে
বিপদ-আপদ কখন আসবে, তা কেউ জানে না। কখনও কোনো ক্ষতির আশংকা দেখা দিলে কিংবা অপ্রত্যাশিত বিপদের ভয় হলে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া মুমিনের শিক্ষা। রাসুলুল্লাহ (স.) বিপদের আশংকায় বিশেষ দোয়া পড়তেন। এ ছাড়া সকাল-সন্ধ্যায় সুরক্ষার জন্যও দোয়া পড়ার শিক্ষা দিয়েছেন।১. কারও অনিষ্টের আশংকা হলে পড়বেন اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফি নুহুরিহিম, ওয়া নাঊযু বিকা মিন শুরুরিহিম।অর্থ: হে আল্লাহ! আমরা তাদের মোকাবিলায় তোমাকেই সামনে রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, কোনো সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে ক্ষতির আশংকা করলে রাসুলুল্লাহ (স.) এই দোয়া পড়তেন। (সুনানে আবু দাউদ: ১৫৩৭)২. সকাল-সন্ধ্যায় সুরক্ষার দোয়াبِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُউচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা ফিস সামায়ি, ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামের সঙ্গে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।হজরত উসমান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকালে ও সন্ধায় যে বান্দা তিনবার এ দোয়া পাঠ করবে কিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না। (জামে তিরমিজি: ৩৩৮৮)৩. আল্লাহর ওপর ভরসা প্রকাশের দোয়াحَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُউচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল।অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।সুরা আলে ইমরানের ১৭৩ নম্বর আয়াতে এই বাক্য উল্লেখ রয়েছে। সহিহ বুখারির বর্ণনা অনুযায়ী, হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে নিক্ষেপের সময় তিনি এই বাক্য বলেছিলেন। রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সময়েও শত্রুর বড় বাহিনীর হুমকির মুখে সাহাবিরা তা বলেছিলেন। (সহিহ বুখারি: ৪৫৬৩)দোয়ার পাশাপাশি সতর্কতাও জরুরিবিপদের আশংকা হলে আল্লাহর কাছে দোয়া করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারও কাছ থেকে ক্ষতির আশংকা থাকলে নিরাপদ স্থানে যাওয়া, বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে জানানো এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেওয়া জরুরি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে যথাসাধ্য নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।তথ্যসূত্র: সুরা আলে ইমরান: ১৭৩; সহিহ বুখারি: ৪৫৬৩; সুনানে আবু দাউদ: ১৫৩৭, ৫০৮৮; জামে আত-তিরমিজি: ৩৩৮৮
মোচার ঘণ্ট একটি সুস্বাদু বাঙালি রান্না যা মোচা, নারকেল এবং ছোলা দিয়ে তৈরি করা হয়। এই রেসিপিটি সহজে তৈরি করা যায় এবং ভাতের সাথে পরিবেশন করলে দারুণ লাগে।মোচার ঘণ্ট একটি প্রাচীন বাঙালি রান্না যা মোচা, নারকেল এবং ছোলা দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি একটি নিরামিষ পদ যা ভাতের সাথে খেতে অসাধারণ লাগে।উপকরণমোচা - ২ কাপ, কুচানোছোলা - ১ কাপ, সেদ্ধনারকেল - ১/২ কাপ, কোরানোসরিষার তেল - ২ টেবিল চামচপেঁয়াজ - ১টি, কুচানোআদা বাটা - ১ চা চামচরসুন বাটা - ১ চা চামচজিরা গুঁড়ো - ১ চা চামচধনে গুঁড়ো - ১ চা চামচহলুদ গুঁড়ো - ১/২ চা চামচলবণ - স্বাদমতোকাঁচা লঙ্কা - ২টি, কুচানোধনে পাতা - সাজানোর জন্যপ্রস্তুত প্রণালিপ্রথমে মোচা ভালো করে ধুয়ে কুচিয়ে নিন।একটি পাত্রে সরিষার তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিন।পেঁয়াজ লালচে হলে আদা ও রসুন বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন।এবার মোচা, ছোলা, নারকেল, জিরা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো এবং লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।মিশ্রণটি ভালো করে কষিয়ে নিন যতক্ষণ না তেল ছেড়ে আসে।কাঁচা লঙ্কা যোগ করুন এবং আরও ৫ মিনিট রান্না করুন।ধনে পাতা দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।পরিবেশনমোচার ঘণ্ট গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন। এটি একটি নিরামিষ পদ যা আপনার খাবার টেবিলে নতুন স্বাদ যোগ করবে।রান্নার টিপসমোচা কুচানোর সময় হাতে তেল মাখিয়ে নিন যাতে আঠা না লাগে। ছোলা আগে থেকে সেদ্ধ করে রাখলে রান্না দ্রুত হবে।
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
বাংলাদেশের লাখো লাখো শিক্ষার্থীর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো এইচএসসি পরীক্ষার ফল। ৩১ অক্টোবর বেলা ১১টায় সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। অতীতে ফল জানতে কলেজ/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হলেও, এখন অনলাইনের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে হাতের মুঠোয় রেজাল্ট জানা সম্ভব।ফলাফল প্রকাশের দিনে বোর্ডের সার্ভারে অতিরিক্ত চাপ এড়াতে এবং মার্কশীটসহ নির্ভুল রেজাল্ট পেতে, আপনার জন্য নিয়ে আসা হলো ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট জানার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর কৌশল। এ প্রতিবেদনে আমরা ধাপে ধাপে জানব কীভাবে মাত্র ১ মিনিটে দুটি সরকারি ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনে এসএমএস পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার HSC Result 2026 চেক করতে পারবেন। সেই সঙ্গে এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ প্রকাশের পর শিক্ষা বোর্ড পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের উপায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পর্কে জানার তথ্যও থাকছে এই প্রতিবেদনে।অনলাইনে HSC Result 2026 জানার নিয়ম২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল জানার একাধিক সহজ ও দ্রুততর পদ্ধতি আছে। সরকারি ওয়েবসাইট তো আছেই, অন্যান্য অনলাইন মাধ্যম থেকেও খুব অনায়াসেই ফলাফল দেখা যাবে।অনলাইনে ফলাফল জানার উপায়গুলো হলো–১. শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেশিক্ষা বোর্ডের সরকারি ওয়েবসাইট থেকে কোনো অর্থ খরচ ও ঝক্কি পোহানো ছাড়াই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল জানা যায়। এ পদ্ধতি অনুসরণ করে ফল জানতে হলে নিচে ধাপগুলো মেনে এগোতে হবে:১ম ধাপ: অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশদ্রুততম সময়ে আপনার এইচএসসি ফলাফল ২০২৬ জানতে প্রথমে এ লিংকে প্রবেশ করুন: www.educationboardresults.gov.bd। এটিই সেই প্ল্যাটফর্ম, যা সব বোর্ডের ফলাফল একযোগে প্রকাশ করে।২য় ধাপ: পরীক্ষার তথ্য দেওয়াপরীক্ষার ধরন (এইচএসসি/আলিম), শিক্ষাবর্ষ (২০২৫) এবং বোর্ড নির্বাচন করতে হবে ফলাফল প্রার্থীকে।৩য় ধাপ: রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদানএরপর শিক্ষার্থীদেরকে তাদের রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর নির্ভুলভাবে নির্দিষ্ট বক্সে দিতে হবে। এ দুই নম্বরের একটিতেও ভুল থাকলে ফলাফল দেখা যাবে না।৪র্থ ধাপ: ফলাফল প্রদর্শনসব তথ্য সঠিকভাবে দেওয়ার পর ‘Submit’ বোতামে ক্লিক করলেই ফলাফল দেখা যাবে। সেখান থেকে প্রয়োজনে ফলাফল ডাউনলোড ও প্রিন্ট করারও সুবিধা আছে।২. ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানার পদ্ধতিশিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট তো আছেই, এছাড়াও https://www.educationboardresults.gov.bd এর মাধ্যমে ফলাফল জানা যাবে। তুলনামূলকভাবে এটিই বেশি সহজে ফলাফল প্রদর্শন করে থাকে।১ম ধাপ: সাইটে প্রবেশ করুনপ্রথমে https://eboardresults.com এ যেতে হবে।২য় ধাপ: সঠিক পরীক্ষার তথ্য নির্বাচনওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পরীক্ষা, বছর এবং বোর্ড নির্বাচন করুন।৩য় ধাপ: রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রদানপরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখতে হবে এবং সঠিক ক্যাপচা কোড প্রদান করতে হবে। ৪র্থ ধাপ: ফলাফল প্রাপ্তিসব তথ্য সঠিক হলে ‘View Result’ বোতামে চাপতে হবে। সেটা করলেই ফলাফল প্রদর্শিত হবে। ৩. মোবাইল SMS এর মাধ্যমে HSC Result 2026 জানার পদ্ধতি অনলাইন ছাড়াও এসএমএসের মাধ্যমে জানা যাবে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল। খুব সহজেই মোবাইল ফোন থেকে এসএমএস পাঠিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল জানা যায়। ফলাফল প্রকাশের প্রথম ১৫-২০ মিনিট ওয়েবসাইটগুলিতে বেশি চাপ থাকে। এ সময় এসএমএস পদ্ধতি ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:ধাপ ১: নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এসএমএস টাইপ করুনপ্রথমে, মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে এই নির্দিষ্ট ফরম্যাটে মেসেজ টাইপ করতে হবে:HSC বোর্ডের নাম (প্রথম তিন অক্ষর) রোল নম্বর ২০২৬উদাহরণ: HSC DHA 123456 2026ধাপ ২: মেসেজ সেন্ড করুনএবার, টাইপ করা মেসেজটি 16140 নম্বরে পাঠিয়ে দিন।ধাপ ৩: এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্তি কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরতি মেসেজের মাধ্যমে আপনার ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।শিক্ষাবোর্ড অনুযায়ী এইচএসসি রেজাল্ট জানার SMS ফরম্যাট: