চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় লরিচাপায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছোট কুমিরা রয়েল সিমেন্ট গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতদের মধ্যে এক শিশু, তিনজন নারী এবং একজন পুরুষ রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত অবস্থায় অন্তত ৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এরমধ্যে ফাতেমা (৪০) এবং তার ৮ বছর বয়সী ছেলে রাকিবের নাম জানা গেছে। তাদের বাড়ি নেত্রকোণার মদন শিবাশ্রম এলাকায়।ফায়ার সার্ভিস কুমিরা স্টেশনের ফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী এক যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশে দাঁড়ানো ছিল। গাড়িটি মেরামতের সময় যাত্রীরা নেমে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় ঢাকামুখী একটি লরি সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হন এবং বাকি দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও শক্তি সঞ্চয় করে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এরপর এটি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে বুধবার (২৮ অক্টোবর)। ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য গতিপথ ভারতের উপকূলমুখী হওয়ায় বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রভাবের আশঙ্কা কম। তবে এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত হতে পারেঘূর্ণিঝড়ের কারণে সাগর উত্তাল থাকায় দেশের চার সমুদ্রবন্দর- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান, সম্ভাব্য গতিপথ ও দেশের আবহাওয়ায় এর প্রভাব সম্পর্কে এসব তথ্য জানানো হয়।বুলেটিন অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এ সময় এটি আরও শক্তিশালী হয়ে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। পরে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া বলেন, ঘূর্ণিঝড়টির বর্তমান গতিপথ ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে থাকায় বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। তবে মঙ্গলবার ও বুধবার দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে।তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করে স্থলভাগে প্রবেশের পর বৃহস্পতিবার ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর পরিস্থিতি নির্ভর করছে। এ কারণে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আবহাওয়া বিভাগ।এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ভারতের ওড়িশা রাজ্যে সতর্কতামূলক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাজ্যটির ঝুঁকিপূর্ণ ছয় জেলা- গঞ্জাম, গজপতি, রায়গড়া, মালকানগিরি, কোরাপুট ও নবরংপুরে ২৮ ও ২৯ অক্টোবর স্কুল, কলেজ এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নিচু এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগের পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর পাহাড়, জলপ্রপাত, বাঁধ ও অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘অর্ণব’ দিয়েছে বাংলাদেশ। শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা সাগর। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আওতাধীন উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশ বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে অংশ নেয়।আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ দেওয়া অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৭৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৭৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর ছিল অত্যন্ত উত্তাল।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও শক্তি সঞ্চয় করে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এরপর এটি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে বুধবার (২৮ অক্টোবর)। ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য গতিপথ ভারতের উপকূলমুখী হওয়ায় বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রভাবের আশঙ্কা কম। তবে এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাত হতে পারেঘূর্ণিঝড়ের কারণে সাগর উত্তাল থাকায় দেশের চার সমুদ্রবন্দর- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।সোমবার (২৬ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান, সম্ভাব্য গতিপথ ও দেশের আবহাওয়ায় এর প্রভাব সম্পর্কে এসব তথ্য জানানো হয়।বুলেটিন অনুযায়ী, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এ সময় এটি আরও শক্তিশালী হয়ে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। পরে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া বলেন, ঘূর্ণিঝড়টির বর্তমান গতিপথ ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিকে থাকায় বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। তবে মঙ্গলবার ও বুধবার দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে।তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড়টি অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করে স্থলভাগে প্রবেশের পর বৃহস্পতিবার ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর পরিস্থিতি নির্ভর করছে। এ কারণে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আবহাওয়া বিভাগ।এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ভারতের ওড়িশা রাজ্যে সতর্কতামূলক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাজ্যটির ঝুঁকিপূর্ণ ছয় জেলা- গঞ্জাম, গজপতি, রায়গড়া, মালকানগিরি, কোরাপুট ও নবরংপুরে ২৮ ও ২৯ অক্টোবর স্কুল, কলেজ এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নিচু এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগের পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র। সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর পাহাড়, জলপ্রপাত, বাঁধ ও অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘অর্ণব’ দিয়েছে বাংলাদেশ। শব্দটির অর্থ সমুদ্র বা সাগর। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আওতাধীন উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশ বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে অংশ নেয়।আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ দেওয়া অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৭৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৭৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর ছিল অত্যন্ত উত্তাল।
প্যালাডিয়াম থিয়েটারে নিস্তব্ধ হয়ে গেল, যখন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো খাম থেকে ব্যালন ডি'অর জয়ীর নাম লেখা কাগজ বের করছিলেন। নাম ঘোষণা হতেই লন্ডনের এই অনুষ্ঠান মঞ্চের চতুর্দিকে উল্লাস 'হ্যারি, হ্যারি'।এবারের ব্যালন ডি'অর জিতলেন হ্যারি কেইন। লামিন ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপের হৃদয় ভেঙে ফুটবলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত পুরস্কার পেলেন ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার।ইংল্যান্ডের অধিনায়ক এবং বায়ার্ন মিউনিখের গোলমেশিন স্ট্রাইকার ব্যালন ডি'অর জিতেছেন। তাতে ২৫ বছরের মধ্যে প্রথম কোনো ইংরেজ পুরুষ হিসেবে তিনি এই সম্মান অর্জন করলেন।মঞ্চে উঠেই তার বিস্ময়, 'বাহ, বাহ, বাহ।' নিজের এই প্রাপ্তিতে ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না, 'আমি প্রায় বাক্যহারা। লন্ডনে এই আয়োজনটি হওয়ায় এটি আমার জন্য আরও বেশি বিশেষ হয়ে উঠেছে। আজকের রাতটি যেন আমার জন্য একটি শুভ সংকেত নিয়ে এলো। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমি বুঝতে পারছি, এ বছর নির্বাচন করা নিশ্চয়ই বেশ কঠিন ছিল।’তিনি আরও বলেন, আজকের রাতে এই হলে অনেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় উপস্থিত আছেন। আজকের সমস্ত বিজয়ী ও মনোনীতদের অভিনন্দন। জেদ এবং কঠোর পরিশ্রম যে সত্যি সাফল্য এনে দিতে পারে, আজ সেটিই ফুটে উঠেছে।ইংল্যান্ডের অধিনায়ক কেইন ২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবল মিলিয়ে মোট ৭৩টি গোল করেছেন।খেলোয়াড়দের র্যাঙ্কিং নির্ধারণে বিচারকদের কেবল সাম্প্রতিক মৌসুমটিই বিবেচনায় নিতে বলা হলেও ২০২৩ সাল থেকে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ১৫৮ খেলায় কেইনের চোখধাঁধানো ১৫৬টি গোল তাকে এই জার্মান ক্লাবের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সপ্তম স্থানে তুলে এনেছে।তিনি টানা তিন মৌসুম ধরে বুন্দেসলিগার সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। সেই সাথে ২০২৫-২৬ মৌসুমে ইউরোপের সার্বিক শীর্ষ ক্লাব গোলদাতাও ছিলেন তিনি।এছাড়া কেইন তার দেশকে ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে তাদের সেরা সাফল্য এনে দেওয়ার ক্ষেত্রেও মূল ভূমিকা পালন করেছেন। ইংল্যান্ড তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ জিতে ব্রোঞ্জ মেডেল অর্জন করে এবং তিনি টুর্নামেন্টের পঞ্চম সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে আসর শেষ করেন।
হাতে কফির কাপ আর জানালার পাশে বসে থাকা স্নিগ্ধ মুহূর্ত— এবার নিজেকে এভাবেই মেলে ধরে ভক্তদের মনে ঝড় তুললেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। সদ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন চিরসবুজ এই নায়িকা। যেখানে তাকে দেখা গেছে একেবারে ক্যাজুয়াল, ছিমছাম ও শান্ত লুকে। পরনে হালকা গোলাপি রঙের একটি শার্ট আর ঢিলেঢালা জিন্স। সিম্পল এই লুকেই নজর কেড়েছে তার এই লুক। দেখা যায়, বড় একটি কফির মগ দুই হাতে ধরে ক্যামেরার দিকে পোজ দিয়েছেন; আর সঙ্গে দিয়েছেন মিষ্টি হাসি।গ্লাসঘেরা জানালায় হেলান দিয়েও পোজ দিয়েছেন নায়িকা; আবার বাইরে আনমনে তাকিয়ে থাকার ভঙ্গিতেও ছিলেন। খোলা চুলে ও হালকা মেকআপে তার এই লুক হয়ে ওঠে অনন্য।দারুণ এই মুহূর্ত নিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন— ‘হাতে কফি, মনে শান্তি।’ তার এই ছবিগুলো সামনে আসার পর থেকেই মন্তব্য ঘরে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভক্ত-অনুরাগীরা ভালোবাসা ও প্রশংসার বন্যায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন এই নায়িকাকে। পাশাপাশি তার এই লুকে সবাই যেন নতুন করে তার রূপের জাদুতে বুঁদ হয়ে গেছেন।
বিশ্ববাজারে টানা ঊর্ধ্বগতির পর কমেছে জ্বালানি তেলের দাম। সোমবার (২৬ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল ও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ শতাংশের মতো কমেছে। তবে সৌদি আরবে হুথিদের অব্যাহত হামলায় তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩২ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ব্যারেলপ্রতি ২ ডলার ১৪ সেন্ট বা ২ দশমিক ০৭ শতাংশ কমে। এতে ১০১ ডলার ১৩ সেন্টে নেমে আসে তেলের দামে। একই সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ ডলার ১২ সেন্ট বা ১ দশমিক ৮২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১১৪ ডলার ৬০ সেন্টে দাঁড়ায়।গত সপ্তাহের শেষ দিকে প্রায় ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দামের কাছাকাছি পৌঁছেছিল তেল। শুক্রবার সৌদি আরবে হুথিদের হামলার পর সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় সেদিন তেলের দাম প্রায় ৩ ডলার বেড়ে যায়। পুরো সপ্তাহে ব্রেন্টের দাম ৬ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছিল।সপ্তাহান্তেও হামলা অব্যাহত ছিল। শনিবার সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করে হুথিরা। রোববার সৌদি আরব জানায়, তারা আরও কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করেছে। এর আগে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দেশটির প্রধান বিমানবন্দরে রোববার আংশিক কার্যক্রমও শুরু হয়। তবে ওই স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।এদিকে আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থা আরও স্থিতিশীল করতে ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুতের পরিকল্পনা করেছে সৌদি আরব। সোমবার দুই দেশের জ্বালানিমন্ত্রীরা এ তথ্য জানান।অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, লুইজিয়ানার একটি তেল শোধনাগারে সরবরাহ বিঘ্নের প্রভাব মোকাবিলায় দেশটির কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত থেকে ৪ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
দুনিয়ার সব মালিকের কাছে তার শ্রমিকরা একটু বেশি মজুরি চাইলে, সুবিধা চাইলে তারা নাখোশ হন। কেউ কেউ ক্ষিপ্ত হন। অনেকে আবার অবিচারও করেন। কিন্তু মহান আল্লাহর মালিকের প্যাটার্ন ভিন্ন। তার শ্রেষ্ঠত্বের পাল্লা অতুলনীয়। তার কাছে তার গোলামরা যত বেশি চায়, তিনি তত বেশি দেন। খুশি হন। আল্লাহ ইরশাদ করেন, বান্দা তুই যত বেশি চাইবি, আমি তত বেশি খুশি হই। রহমতের দ্বার খুলে দিই। আমি পরম করুণাময়।কোরআনের ভাষায়, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। আর যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে, তারা অচিরেই জাহান্নামে প্রবেশ করবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ (সুরা মুমিন: ৬০)আল্লাহর কাছে চাইতে হয় দোয়ার মাধ্যমে। নতচিত্তে। অবনত মস্তকে। রব্বেকা’বা ইরশাদ করেন, ‘আমি দোয়া কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দোয়া করে (সুরা বাকারা: ১৮৬)। হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, দোয়া সব ইবাদতের মূল।দোয়া কবুলের নির্ধারিত কোনো মুহূর্ত নেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা, ইশা থেকে ফজর- বান্দা যখনই আল্লাহর দরবারে হাত পাতে, তিনি সাড়া দেন। তবে, কিছু বিশেষ মুহূর্তে আল্লাহ বান্দার মোনাজাত বিশেষভাবে কবুল করেন। রহমতের পেয়ালা ঢেলে দেন। বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতে, এই বিশেষ মুহূর্তগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো ভোররাত।২৪ ঘণ্টার ভেতরে দোয়া কবুলের যতগুলো সোনালি সময় আছে, এর মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান সময় হলো ভোররাত। অর্থাৎ তাহাজ্জুদের সময়। রাতের শেষের দিকের এই সময়টা মুমিনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। এই সময়ের দোয়া সাধারণত আল্লাহ তায়ালা ফিরিয়ে দেন না।
সকালের ব্যস্ততা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবধারিত অংশ। কাজ বা পড়ালেখার তাড়াহুড়ো, পরিবার সামলানো কিংবা দিনের অন্যান্য প্রাথমিক ব্যস্ততার চাপে একটি শান্ত ও নিজস্ব রুটিন তৈরি করা অনেকের জন্যই কঠিন হয়ে পড়ে।অথচ ২০২৫ সালে প্রকাশিত ‘নেসপ্রেসো’ এবং ‘প্রজেক্ট হেলদি মাইন্ডস’-এর একটি জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মনে করেন সকালের এই প্রারম্ভিক মুহূর্তগুলো সারাদিনের মানসিক সুস্থতা ও মেজাজের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, দিনের প্রথম কয়েক ঘণ্টা কেবল মেজাজই ভালো রাখে না, বরং এটি আমাদের মস্তিষ্কের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য রক্ষা এবং বার্ধক্যেও মেধা ও স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ রাখার মূল চাবিকাঠি।বিশেষজ্ঞদের মতে, রাতের ঘুমের সময় মস্তিষ্কে এক অপূর্ব পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলে। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের প্রখ্যাত স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ইভা এল. ফেল্ডম্যান ব্যাখ্যা করেন যে, রাতের ঘুমের সময় মস্তিষ্কের কোষগুলো বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কার করে ফেলে।‘ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক’-এর তথ্য অনুযায়ী, মস্তিষ্কের এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা নেটওয়ার্ককে ‘গ্লিমফেটিক সিস্টেম’ বলা হয়, যা তরলের সাহায্যে কোষের ক্ষতিকর বর্জ্য ধুয়ে মুছে দূর করে দেয়। ফলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মস্তিষ্ক সবচেয়ে বেশি সতেজ ও প্রখর থাকে।ব্রেইন ইনস্টিটিউটের স্নায়ুবিজ্ঞানী ড. মাজিদ ফতুহি জানান, ঘুম থেকে ওঠার পরের প্রথম এক ঘণ্টা সারাদিনের ইতিবাচক আবহ তৈরি করে। তাই দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্ককে সচল, কর্মক্ষম ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে প্রতিদিন সকালে চিকিৎসকদের নির্দেশিত ৫টি সহজ অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।১. ইতিবাচক মানসিকতা দিয়ে দিন শুরু করাসকালে ঘুম থেকে উঠেই মানসিক চাপ নেওয়া মস্তিষ্কের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ড. মাজিদ ফতুহি জানান, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের ফলে নিঃসৃত স্ট্রেস হরমোন ‘কর্টিসল’ মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কর্টিসলের উচ্চ মাত্রা মস্তিষ্কের শেখা ও স্মৃতিশক্তির প্রধান কেন্দ্র ‘হিপোক্যাম্পাস’-এর কোষগুলোর ক্ষতিসাধন করে। তাই সকালে শান্ত ও আশাবাদী মনোভাব বজায় রাখা জরুরি।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি)-এর পরামর্শ অনুযায়ী, সকালের মানসিক চাপ কমাতে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে কিছু সময় বিরতি নেওয়া, বাইরে খোলামেলা জায়গায় সময় কাটানো, ধ্যান করা এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে কথা বলা অত্যন্ত কার্যকর।২. বিছানা থেকে তাড়াহুড়ো করে না ওঠা এবং দিনের লক্ষ্য স্থির করাসকালে অ্যালার্ম বাজতেই হুড়মুড় করে বিছানা ছেড়ে ওঠার বদলে কয়েক মিনিট নীরব থেকে নিজেকে প্রশ্ন করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ড. ফতুহি বলেন, নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, ‘আজকের দিনটি আমি কীভাবে উপভোগ্য করব?’।এই সময়ে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ৫টি মূল স্তম্ভ ব্যায়াম, সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্দীপনা—কীভাবে সারাদিনের সূচিতে যুক্ত করবেন তা ভেবে নিন। এতে সারাদিনের কাজ গোছানো সহজ হয় এবং মেজাজফুরফুরে থাকে।৩. মস্তিষ্ককে সক্রিয় ও কর্মক্ষম রাখাসকালের প্রথম ভাগে মানসিক চর্চা মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষগুলোকে দারুণভাবে উদ্দীপিত করে। ড. ফেল্ডম্যানের মতে, সকালে বই পড়া, ডায়রি বা চিন্তাভাবনা লেখা এবং সুডোকু বা ক্রসওয়ার্ডের মতো ধাঁধা মেলালে দিনের শুরুতেই মস্তিষ্কের প্রখরতা বৃদ্ধি পায়।এছাড়া ড. ফতুহি প্রতিদিন সকালে ৩টি বিশেষ সংকল্প খাতায় লিখে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন:নির্দিষ্ট লক্ষ্য: নিজের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের কথা স্মরণ করা।উন্নয়নমুখী মানসিকতা: নিজের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস রাখা।ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি: বাধা কাটিয়ে ভালো কিছু অর্জনের আশা রাখা।৪. সকালে শারীরিক ব্যায়াম করাসকালের শারীরিক ব্যায়াম স্নায়ুকোষের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ড. ফেল্ডম্যান জানান, সকালে হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা কিংবা ইয়োগা করা মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। দলগত খেলাধুলা বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে করা ব্যায়ামও মস্তিষ্কের বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে।২০২৪ সালে ‘জেরোসায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ সপ্তাহের স্ট্রেন্থ বা রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাসে গঠনমূলক পরিবর্তন আনে, যা নিউরোপ্লাস্টিসিটি বা মস্তিষ্কের নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।৫. মস্তিষ্কবান্ধব ও পুষ্টিকর প্রাতরাশ গ্রহণ করাসকালের নাস্তায় প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার এবং সঙ্গে চা বা কফি খাওয়া দিন শুরুর সেরা উপায়। বিশেষ করে ‘মাইন্ড ডায়েট’-এর অন্তর্ভুক্ত খাবারগুলো মস্তিষ্কের ক্ষয় রোধ করতে বিশেষভাবে প্রমাণিত। সকালের প্রাতরাশে সবুজ শাকসবজি, বাদাম, জলপাইয়ের তেল (অলিভ অয়েল), বেরি জাতীয় ফল, মুরগির মাংস ও মাছ যুক্ত করা মস্তিষ্কের পুষ্টি জুগিয়ে স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।বয়স বাড়লেও ব্রেইন থাকবে তরুণড. ফেল্ডম্যান জোর দিয়ে বলেন যে, মস্তিষ্কের যত্ন নেওয়া শুরু করতে কখনো দেরি করা উচিত নয়। ধূমপান, মদ্যপান বা অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে মস্তিষ্কের যে ক্ষতি হয়, তার লক্ষণ প্রকাশের পর তা সংশোধন করা কঠিন হয়ে পড়ে। মানব মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় গুণ হলো এর নিউরোপ্লাস্টিসিটি—অর্থাৎ এটিকে যেকোনো বয়সে পুনর্গঠিত ও শক্তিশালী করা সম্ভব। প্রতিদিন সকালের এই ছোট ছোট ৫টি অভ্যাসই নির্ধারণ করে দেবে ভবিষ্যতের দিনগুলোতে আপনার স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিমত্তা কতটা প্রখর থাকবে।তথ্যসূত্র: দ্য হেলদি
২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের শীর্ষ ৬টি দেশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার ২৬ জানুয়ারি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাতে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’-তে এই গবেষণাটি প্রকাশ হয়।ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অব্যাহত থাকলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহে আক্রান্ত বৈশ্বিক জনসংখ্যার হার প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। শিল্প-পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় যদি বিশ্বের গড় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তবে চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি নাগাদ বিশ্বের ৪১ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৩৭৯ কোটি) অসহনীয় তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে। ২০১০ সালে এই পরিস্থিতির শিকার জনগোষ্ঠীর হার ছিল মাত্র ২৩ শতাংশ (১৫৪ কোটি)।
গুগল ক্রোম বেশি র্যাম ব্যবহার করে—এমন ধারণা অনেক কম্পিউটার ব্যবহারকারীর। তবে বেশি র্যাম ব্যবহার করলেই ব্রাউজারটি অকার্যকর, এমন নয়। ওয়েবসাইটের জটিলতা, একসঙ্গে একাধিক ট্যাব চালু রাখা এবং বিভিন্ন এক্সটেনশনের কারণে ক্রোমের মেমোরি ব্যবহার বেড়ে যেতে পারে।আধুনিক ওয়েবসাইটগুলো এখন সাধারণ ওয়েবপেজের পরিবর্তে অনেকটা অ্যাপের মতো কাজ করে। ছবি, ভিডিও, অ্যানিমেশন ও বিভিন্ন ইন্টারঅ্যাকটিভ সুবিধা সচল রাখতে এসব ওয়েবসাইটের বেশি মেমোরি প্রয়োজন হয়।প্রতিটি ট্যাবের জন্য আলাদা প্রক্রিয়াক্রোম সাধারণত বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ট্যাবকে আলাদা প্রক্রিয়ায় চালায়। ফলে একটি ওয়েবসাইটে সমস্যা হলেও অন্য ট্যাবগুলো সচল থাকার সম্ভাবনা বাড়ে। পাশাপাশি এই পৃথক প্রক্রিয়া ও নিরাপত্তাব্যবস্থা এক ওয়েবসাইট থেকে অন্যটির তথ্য অননুমোদিতভাবে পাওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। তবে এর জন্য অতিরিক্ত র্যাম প্রয়োজন হয়।র্যাম বেশি ব্যবহার করলেই কি সমস্যা?কম্পিউটারের র্যাম ব্যবহার হওয়া মানেই সমস্যা নয়। প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত ব্যবহারের জন্য র্যাম কাজে লাগে। তবে কোনো ট্যাব বা এক্সটেনশন অস্বাভাবিকভাবে মেমোরি ব্যবহার করতে থাকলে সেটি ‘মেমোরি লিক’-এর লক্ষণ হতে পারে।ক্রোমে Shift ও Esc একসঙ্গে চাপলে ব্রাউজারের নিজস্ব টাস্ক ম্যানেজার চালু হয়। সেখানে কোন ট্যাব বা এক্সটেনশন বেশি র্যাম ব্যবহার করছে, তা দেখা যায়। অস্বাভাবিক মেমোরি ব্যবহারকারী ট্যাব বা এক্সটেনশন শনাক্ত করতে এই সুবিধা কাজে আসতে পারে।র্যাম ব্যবহার কমানোর উপায়ক্রোমের সেটিংসের ‘পারফরম্যান্স’ বিভাগে থাকা ‘মেমোরি সেভার’ সুবিধা চালু করলে দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করা ট্যাবগুলো নিষ্ক্রিয় করে মেমোরি সাশ্রয় করা যায়। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ট্যাবে ফিরে গেলে সেটি আবার সক্রিয় হবে।এ ছাড়া কয়েকটি পদক্ষেপে র্যামের ব্যবহার কমানো সম্ভব— অপ্রয়োজনীয় ট্যাব বন্ধ রাখা। ব্যবহার না করা এক্সটেনশন নিষ্ক্রিয় বা সরিয়ে ফেলা। ক্রোমের টাস্ক ম্যানেজার থেকে বেশি মেমোরি ব্যবহারকারী ট্যাব শনাক্ত করা। ব্রাউজার ধীর হয়ে গেলে সেটি বন্ধ করে আবার চালু করা।মাইক্রোসফট এজেও নিষ্ক্রিয় ট্যাবকে ঘুম পাড়িয়ে মেমোরি সাশ্রয়ের সুবিধা রয়েছে। অন্যদিকে, সিস্টেমের মেমোরি কমে গেলে মজিলা ফায়ারফক্স কিছু ট্যাবের কার্যক্রম স্থগিত করতে পারে।ক্রোম ধীর হলে কী করবেন?ক্রোম ধীরগতির হলেই শুধু র্যাম ব্যবহারের পরিমাণকে দায়ী করা উচিত নয়। অপ্রয়োজনীয় ট্যাব ও এক্সটেনশন বন্ধ করার পাশাপাশি ব্রাউজার পুনরায় চালু করে দেখা যেতে পারে। কম্পিউটারের স্টোরেজ প্রায় পূর্ণ হয়ে যাওয়া কিংবা ধীরগতির ইন্টারনেট সংযোগও ব্রাউজিংয়ের গতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।সব মিলিয়ে, ক্রোমের বেশি র্যাম ব্যবহার সব সময় ত্রুটির লক্ষণ নয়। তবে ব্রাউজার অস্বাভাবিক ধীর হয়ে গেলে বা মেমোরির ব্যবহার বেড়ে গেলে কোন ট্যাব কিংবা এক্সটেনশন এর জন্য দায়ী, তা পরীক্ষা করা জরুরি।